অসাধু মিল মালিকদের সিন্ডিকেট চালের দাম কেজিতে ৫ টাকা বৃদ্ধি

দেশের সবচেয়ে বড় চালের মোকাম নওগাঁয় চালের বাজার সপ্তাহের ব্যাবধানে কেজিতে ৪ হতে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। যার প্রভাব খুরচা ও পাইকারী বাজারে দুটোতেই পরেছে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা বলছেন ধানের দাম বাড়ায় বাজারে চালের দাম বেড়েছে। ধানের বাজারের উদ্ধোগতির মূল কারন কালোর টাকার মালিক কিছু মজুদদার ধান ব্যবসায়ী।

বর্তমানে খুরচা বাজারে গত সপ্তাহে কাটারি চাল ছিল ৪৪ কেজি যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমান বাজার ৫০-৫২ টাকা, জিরা ছিল ৪৬ টাকা বর্তমান ৫০টাকা, আটাশ ৪২ টাকা ,বর্তমান ৪৬ টাকা, শুগন্ধি আতপ চাল কেজিতে ৫টাকা বেড়ে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সরবরাহ না থাকলেও চাহিদা বেশী থাকার কারনে মোটা জাতের (হাইব্রীট) চালের দাম কেজি প্রতি প্রায় ৬ টাকা বেশী।

এছাড়া পাইকারী বাজারে মিনিকেট প্রতি বস্থা (৫০ কেজি) চালের দাম গত সপ্তাহে ২৩০০ টাকা ছিল যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পারিজা ২০০০ টাকা ছিল ২১০০ হয়েছে  কাটারি ২২০০ টাকা ছিল ২৫০০ টাকা হয়েছে। আর চালের বাজারের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির হচ্ছে কলো টাকার মালিক কিছু মজুদদার ও বড় বড় কয়েকটি অসাধু মিল মালিকদের কারনে। বার বার লোকসান ও পুজির অভাবে বর্তমানে নওগাঁ অধিকাংশ হাসকিং মিলের কার্যক্রম বন্ধ। কিছু লোক আছে যারা বিভিন্ন ভাবে কালো টাকা করেছে। এরা ঐসব বন্ধ মিলের গুডাউন ভাড়া নিয়ে ধান মজুদ রেখে ধানের বাজারে এক প্রকার সিন্ডিকেট করছে দাম বাড়াচ্ছে যার প্রভাব পরছে চালের বাজারে।

এছাড়া কয়েকজন বড় মাপের মিল মালিক আছে যারা নিজেদের সুনাম ও বান্ডকে কাজে লাগিয়ে ধান মজুদ রেখেও চালের বাজার বৃদ্ধির সিন্ডিকেট করছে। চাল মজুদকৃত ঐসব গুডাউন ও মিল চিহিৃত করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করলেই বাজার নিয়ন্ত্রনে আসবে বলে অনেকে মনে করছেন।

নওগাঁ পৌর চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, পৌর খুরচা বাজারে গত এক সপ্তাহে ব্যবধানে প্রতিকেজি চালের দাম ৪ হতে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাজারে ক্রেতা তেমন না থাকায় আমরা অলম সময় পার করছি। 

নওগাঁ জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে নওগাঁ পাইকারী বাজারে চালের দাম সামান্য কিছু বেড়েছে। তবে মোটা চালের দাম একটু বেশী। ধানের দাম বাড়লে চালের দাম একটু বাড়ে। 

নওগাঁ খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী বলেন, চালের বিষয় নিয়ে আমাদের কর্তৃপক্ষ বক্তব্য দিবেন। চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাকন ও খাদ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন :