চোখে হাসি বুকে কান্না নিয়ে বিদায় মাশরাফির

চোখে হাসি বুকে কান্না। অধিনায়ক হিসেবে শেষ ম্যাচে এই হলেন মাশরাফি! জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে যখন এলেন চোখেমুখে হাসি লেগে ছিল। কিন্তু কথা বলেছেন একটু থেমে থেমে। বোঝাই যাচ্ছিল আবেগ সংবরণের লড়াই করতে হচ্ছে।

একটু আগেই তামিম ইকবাল তাঁকে কাঁধে তুলে ঘুরিয়েছেন। সঙ্গে ছিলেন বাকি সতীর্থরা। এরপর মাশরাফির ২ নম্বর জার্সিও পড়েছেন ক্রিকেটাররা। যেখানে বুকের ওপর লেখা ছিল ‘ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’ আবেগের এসব পর্ব শেষে সত্যি কথাটাই বললেন মাশরাফি, ‘এ সময়টা খুব কঠিন।’

বোঝাই যাচ্ছিল, অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর এ মুহূর্তে বিরহ দহনে ভুগছেন মাশরাফি। কাকতালীয় ব্যাপার, ২০০৯ সালে মাশরাফির প্রথম নেতৃত্ব পাওয়ার ম্যাচে নেমেছিল বৃষ্টি। আজ তাঁর শেষ ম্যাচেও বেশ কিছুক্ষণ মাঠ ধুয়েছে বৃষ্টি। মাশরাফির কষ্ট-ও কি? অধিনায়ক অবশ্য সেসব কথায় গেলেন না। বরং তুলে ধরলেন আশার কথা, ‘ ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতায় খেলোয়াড়দের জন্য ভালো লাগছে। ওদের কাছ থেকে যে সমর্থন পেয়েছি তা অবিস্মরণীয়। কোচদের কাছ থেকেও পেয়েছি। আশা করি নতুন অধিনায়ক দলকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে। সামনে বিশ্বকাপ আছে।’

অধিনায়ক মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচে ১৭৬ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেছেন লিটন দাস। ১২৮ করেছেন তামিম। দুজনকে নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘লিটন অসাধারণ ব্যাট করেছে। তামিমও। সে হয়তো একটু চাপে ছিল, এটা কেবল শুরু। সামনে বড় সিরিজ আছে। আশা করি ওরা রান করে যাবে।’

মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন প্রশংসা করে মাশরাফি বলেন, ‘সব সময় বলেছি মোস্তাফিজ আমাদের চ্যাম্পিয়ন। সাইফউদ্দিন তরুণ, ফিরেও এসেছে দুর্দান্তভাবে। আশা করি ওরা ভালো খেলাটা ধরে রাখবে।’

মন্তব্য লিখুন :