'বাদাম ও শবজি চাষে খুশির আমেজ সুরমা পাড়ের চাষিরা'

বাদাম ও সবজি চাষে কম খরচে লাভের মুখ দেখছেন সুনামগঞ্জের সুরমাপাড়ের কৃষকরা।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ভুজনা গ্রামের সুরমা নদীর পারজুড়ে এখন বাদামের সমারোহ চারদিকে সবুজ আর সবুজ মাঠ। এছাড়াও আজমপুর সুরমা নদীর চরে বাদামের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। 

কৃষকরা জানান, সুরমা নদীর পলি মাটিতে জমি উর্বর হওয়ায় বেশি সার দিতে হয় না। তাই কম খরচে চাষ করা যায়। বীজ রোপণের তিন মাসের মধ্যে বাদাম তোলা যায়। ফলন ভালো হলেও বাজার মূল্য কম থাকায় কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে কৃষক ও কৃষি বিভাগের ভাষ্য।

দোয়ারাবাজার কৃষি বিভাগ জনিয়েছে, এ বছর প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তরের সহায়তায় উপজেলায় বাদাম চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা ধরনরে উপকরণ দেওয়া হচ্ছে বলেও কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

ভুজনা গ্রামের বাদাম চাষি শাহজাহান জানান গত বছরের চেয়ে এবছর বাদাম চাষে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। তবে সুরমা নদীর ভাঙনে ফসলি জমি দিনের পর দিন কমছে। পলি মাটির কারণে ফলন ভালো হয়। 

বাদাম চাষি আব্দুল মতিন বলেন, সুরমা নদীর পলি মাটি জমিতে আসায় কীটনাশক ও সার প্রয়োগ ছাড়া বাদাম চাষ হয় বলে আমরা লাভবান। তবে সরকার সুরমা নদীর ভাঙন ঠেকাতে না পারলে বিলীনের পথে ভুজনা গ্রাম ও ফসলি জমি। 

দোয়ারাবাজার উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ মোহাম্মদ মহসিন জানান, উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শবজি সহ বাদাম চাষ হচ্ছে ভুজনা এলাকায়। উৎপাদন করতে পেরে খুশি চাষিরা।

মন্তব্য লিখুন :