ভোলায় ঝড়ে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও জাহাজ ডুবি

ভোলায় ঝড়ের কবলে পড়ে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানায় ঢালচর ঘাটে নোঙ্গর করা যাত্রীবাহী একটি লঞ্চ ও ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুরে পাথরবাহী একটি জাহাজ (ভলগেট) ডুবির খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার ঢালচর ইউনিয়নের ঘাটে নোঙ্গর করা যাত্রীবাহী লঞ্চ এবং ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর জোরথাল এলাকায় পাথরবাহী জাহাজ(ভলগেট) ডুবির এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চটি চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া টু ঢালচর রুটে চলাচল করতো। অন্যদিকে পাথরবাহী জাহাজটি কিশোরগঞ্জ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার পাথর নিয়ে ভোলায় দিকে আসছিল বলে জানা যায়।

ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ হারুন জানান, সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়। এতে ঘাটে নোঙ্গর করা কচ্ছপিয়া- ঢালচর গামী লঞ্চটি পানি ঢুকে ডুবে যায়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্থানীয়রা কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়ে লঞ্চটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। লঞ্চে থাকা কিছু মালামাল নষ্ট হয়েছে। এতে কত টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। তবে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

ঢালচর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, সকালে হঠাৎ ঝড়ে ঢালচর ঘাটে থাকা লঞ্চটি পানির চাপে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা ও লঞ্চের স্টাফরা দড়ি দিয়ে লঞ্চাট বেঁধে রাখেন। লঞ্চটি ডুবে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামালের ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

লঞ্চের মালিক আঃ আজিজ জানান, ঢালচরে কোনও শাখা খাল না থাকায় মেঘনা নদীর পাশে ঘাট করতে হয় লঞ্চ কিংবা মাছ ধরার নৌকাগুলোকে। এতে প্রায়ই ঝড়ে কবলে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। 

এদিকে ভোলা সদরের মেঘনার জোরখাল পয়েন্টে ঝড়ের কবলে পরে ঘাটে নোঙ্গর করা পাথরবাহী একটি জাহাজ ডুবে যায়। পাথরগুলো ভোলার মেঘনা নদী ভাঙন রোধে ব্লকের কাজে ব্যবহার করার জন্য আনা হচ্ছিল।

ইলিশা নৌ-থানার ইনচার্জ সুজন পাল বলেন, কিশোরগঞ্জে থেকে এমভি জেআরবি নামে একটি জাহাজ পাথর নিয়ে ভোলার জোড়খাল এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ভলগেটটি উদ্ধার কাজ চলছে।

মন্তব্য লিখুন :