তারা নামেই নেতা!

ফরিদপুর-২ আসন সালথা-নগরকান্দায় এতো নেতার ছড়াছড়ি কিন্তু সাধারণ জনগণের বিপদের সময় নেই কেউই। তখন তারা বাঘের বদলে বিড়াল হয়ে যায়। সম্প্রতি সালথার তাণ্ডবে সালথা ও নগরকান্দার প্রথম শ্রেণীর কোন নেতাকে জনগণের পাশে দেখা যায় নাই। এদেরকে দেখা যায় নির্বাচন আসলে, তখন অনেক প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়, মুখে অনেক কথাই বলেন- এ কথাগুলো বললেন সালথার তাণ্ডবের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মামলার আসামী হয়ে পলাতক থাকা পরিবারের সদস্যরা। নিরাপত্তার জন্য তারা তাদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সালথা-নগরকান্দা ফরিদপুর নির্বাচনী আসন-০২ এ ১০/১২ জন ভিআইপি নেতা আছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার প্রতিনিধি চৌধুরী শাহদাব আকবর লাবু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আতম হালিম, সাবেক সাংসদ সাইদুজ্জামান জুয়েল, নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কাজী দেলোয়ার হোসেন, জামাল মিয়া, সাবেক সচিব ফজলুল রহমান।

এ বিষয়ে জামাল হোসেন মিয়া জানান, আমি শুধু খোঁজ খবর রাখি তালমা ইউনিয়নের। যেহেতু ওই ইউনিয়নে আমার বাড়ি।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর আতম হালিমের মন্তব্য জানার জন্য মোবাইলে যোগাযোগ করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সময়ই তার ফোন বন্ধ থাকে। তিনি ফরিদপুর-২ আসনের আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী। 

সংসদ উপনেতার একান্ত সচিব শফিউদ্দিন জানান, সালথা তাণ্ডবের বিষয়ে সংসদ উপনেতার নির্দেশে আমরা সবসময়ই সালথা নগরকান্দা জনগণের পাশে আছি এবং থাকবো। সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ফকির মিয়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উল্লেখ্য গত ৫ এপ্রিল একটি মিথ্যা সংবাদের ভিত্তিতে উত্তেজিত হয়ে সালথা উপজেলা কমপ্লেক্স, এসি ল্যান্ড অফিস এবং টিএনও ও এসিল্যান্ডের গাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুস্কৃতিকারী একটি পক্ষ। উক্ত ঘটনায় পৃথক পৃথক ৮টি মামলা হয় এবং ওই মামলার প্রায় ১০০ এজাহারভুক্ত আসামী ও প্রায় ১৮ হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে মামলা হয়। এতে সালথা এখন পুরুষ শূন্য।  

মন্তব্য লিখুন :