বগুড়ায় গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-৪

বগুড়ার শেরপুরে ১২বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৪ মে) মধ্যরাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় ৭ জনের নামে গণধর্ষণ মামলা দায়েরর করে। পুলিশ সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে।

ভুক্তভোগী কিশোরীকে গত ১৩ মে রাতে ধর্ষণ করে আসলাম, সোহাগ ও জাহিদুল। এছাড়াও ভুক্তভোগী কিশোরীর পিতাকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। 

গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার চকসাদি গ্রামের আসলাম হোসেন (৩৯), সোহাগ (২৫), জাহিদুল ইসলাম (২৫), ও রাশেদা খাতুন (২৫)। পলাতক অভিযুক্তরা ফুলবাড়ী গ্রামের ভুট্টু মিয়া (৪৫), চকরাজিব গ্রামের আল আমিন (৩০) ফুলতলা গ্রামের মাসুদ (৩৫)।

জানা যায়, গত ১৩ মে রাত ৮টায় ভুক্তভোগী কিশোরী নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রাতে তার কোনো সন্ধান পায়নি স্বজনরা। পরের দিন (১৪ মে) সকালে মেয়েটি নিজ বাড়ীতে না এসে তার ভাবীর বাড়ীতে যায়। সংবাদ পেয়ে তার পিতা সেখান থেকে তাকে নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসেন। বাড়ীতে ফেরার পর কিশোরী তার পিতার কাছে সব ঘটনার বর্ণনা দেয়।

গ্রেফতারকৃত নারী রাশেদা খাতুন ভুক্তভোগী কিশোরীকে কৌশলে উপজেলা চকসাদি গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেছে ভুট্টু মিয়া, আল আমিন ও মাসুদ। প্রতিবারই ধর্ষণে সহায়তা করেছেন রাশেদা।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সোমবার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার চকসাদি গ্রামে কিশোরীর পিতাকে মারধর করে অভিযুক্ত আসলাম। প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় ভুক্তভোগী কিশোরীর পিতা।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদুল ইসলাম এ ঢাকা নিউজ ৭১ কে বলেন, মামলা দায়ের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হবে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :