গেমস খেলতে না পেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

বগুড়ার শাজাহানপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে উম্মে হাবিবা বর্ষা (১২) নামে এক স্কুলছাত্রী।

মঙ্গলবার (২৫ মে ) সকালে পুলিশ সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে। নিহত বর্ষা বগুড়ার সারিয়াকান্দির রামকৃঞ্চপুর গ্রামের সার্জেন্ট রওশন হাবিবের মেয়ে। সে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। পিতা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে চাকরির সুবাদে ঢাকাতেই থাকেন। শাজাহানপুরের বি-ব্লক রহিমাবাদ গ্রামে ভাড়া বাসায় তার মা দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে।

আত্মহত্যার আগে নিহত চিরকুট লিখেছে যে আমার পিতা মাতা আমাকে ফ্রী ফায়ার গেম খেলতে দিত না। আমি ফ্রী ফায়ার গেম খেলতে মোবাইল চাইলেই আমাকে বকাঝকা করতো। তাই আমি চলে গেলাম। আমাকে আর বকাঝকা করতে হবে।

নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে খাওযা দাওয়া শেষে বর্ষা গেম খেলার জন্য তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোন চেয়েছিল। কিন্তু তার মা মোবাইল না দেওয়ায় বর্ষা নিজ শয়ন ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে তার মা ডাকতে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় আশপাশের লোকজন এসে প্রথমে জানালা ভেঙ্গে বর্ষার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন এ ঢাকা নিউজ ৭১ কে বলেন, আত্মহত্যার আগে মেয়েটি চিরকুট লিখে গেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :