লক্ষ্মীপুরে সেনাবাহিনীকে দিয়ে মেঘনার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন রোধে একেনেকের সভায় প্রায় ৩১’শ কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ আয়োজন করা হয়। এর আগে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রধানমন্ত্রী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এমপিকে অভিনন্দন জানিয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল করা হয়।

এদিকে ৩১ কিলোমিটার মেঘনার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটি সেনাবাহিনীকে দিয়ে করানোর জোর দাবি এতে অংশগ্রহণকারী ও রামগতি-কমলনগরের বাসিন্দাদের।

এ সময় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটি  সদস্য আব্দুজ্জাহের সাজু, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান, ঢাকাস্থ কমলনগর কল্যাণ সমিতির সভাপতি এমএইচ খান মিরন, সমাজসেবক জিয়া উদ্দিন ফারুক, শামীম হাসনাইন, সংগঠক আফজল হোসাইন অনিক, শাহীনুল ইসলাম সুমন, কাউছার রশিদ, রিদওয়ান উল্লাহ ও রাকিব হোসাইন প্রমুখ।

জানায়, কোন সাহায্য নয়, টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে বিভিন্ন সময় রামগতি-কমলনগর-লক্ষ্মীপুর ও ঢাকায় আন্দোলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মানববন্ধন ও বিভিন্ন ধরণের আন্দোলন করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ৩১ কিলোমিটার নদীর তীর রক্ষার জন্য গত ১ জুন একনেকের সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর উপস্থাপনে প্রধানমন্ত্রী ৩১’শ কোটি টাকার প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছেন। একইদিন বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানিয়ে রামগতি ও কমলনগরে আনন্দ মিছিল করা হয়েছে।

অন্য দিকে এ ৩১ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটির পুরো কাজ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শেষ করার জন্য দাবি জানিয়েছেন রামগতি-কমলনগরের সাড়ে ৭ লাখ বাসিন্দা। পূর্ব-পুরুষে কবরসহ ভিটেমাটি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চের সভাপতি এডভোকেট আবদুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, ঠিকাদারদের দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করলে টেকসই হয় না। এতে বাঁধ নির্মাণের এক বছরের মধ্যে ধসে পড়ে সাড়ে ৭ লাখ মানুষের স্বপ্ন, দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। লাভবান হবে ঠিকাদারসহ দুর্নীতিবাজরা, ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্থানীয় বাসিন্দারা। এজন্য সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি।


মন্তব্য লিখুন :