উজিরপুরে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে নিয়ে বখাটে লাপাত্তা

বরিশালের উজিরপুরে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে নিয়ে এক বখাটে লাপাত্তা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের মৃত মামুন চোকিদারের মেয়ে ১০ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রীকে শোলক গ্রামের দুবাই প্রবাসী জামাল সরদারের বখাটে ছেলে মাহফুজ সরদার (১৯) ফুসলিয়ে ৭ জুন লাপাত্তা হয়ে যায়। ওই ছাত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা করে। এরপর বখাটের পকেটের টাকা ফুরিয়ে গেলে ঘটনার ৪ দিন পরে ১১ জুন সন্ধ্যায় ছাত্রীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে ছাত্রী বাড়ীতে গেলে তার মাতা বেবী বেগম রাগে ক্ষোভে তাকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। কোন উপায়ান্তুর না পেয়ে একই এলাকায় তার নানা আবুল বাশার সরদারের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়।

এ ব্যপারে ছাত্রীর মাতা স্বামী হারা হতদরিদ্র বেবী বেগম জানান আমার মেয়ে মেধাবী ছাত্রী ছিল। তাকে বখাটে মাহফুজ সরদার ফুসলিয়ে প্রেমের নাটক করে ইজ্জত নষ্ট করে আমাদের পরিবারকে সর্বসান্ত করেছে। ভেবেছিলাম লেখা পড়া শেষে আমার মেয়েকে পুলিশে চাকুরি দিবো। কিন্তু ওই বখাটে আমাদের স্বপ্ন ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে। তিনি আরো বলেন স্কুলে যাওয়া আসার পথে আমার মেয়েকে প্রায়ই উত্তক্ত করতো মাহফুজ। একারণেই আমার মেয়ের সর্বনাশ হয়েছে।

অভিযুক্ত মাহফুজের মাতা মাসুদা বেগম জানান, আমার ছেলেকেও কয়েকদিন ধরে আমরা খুজে পাচ্ছিনা। তাই আমি থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি। তবে শুনেছি তাদের উভয়ের মধ্যে ১ বছর ধরে প্রেমের সর্ম্পক রয়েছে। আমার ছেলে তাকে নিয়ে পালিয়ে গেলে প্রয়োজনে তাদের বিবাহ দিয়ে দিব। তাতে কম বয়স হলেও কিছু যায় আসেনা।

ওই লম্পটের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণতি বিশ্বাস ও মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউল আহসানের এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

মন্তব্য লিখুন :