কঠোর লকডাউনে চায়ের দোকান খোলা রাখায় ইউপি সদস্যকে জরিমানা

কালিগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে কঠোর ভূমিকায় রাখছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় চোর পুলিশ খেলছে অনেকেই। প্রশাসন আসলে অনেকেই দোকান পাট বন্ধ করে যে যার মত চলে যায়, আবার প্রশাসন চলে গেলে তারা দোকানপাট খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (১৯ জুন) রাত ৮ টার দিকে জেলার কালিগঞ্জের থানা রোড এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার রবিউল ইসলাম।

ওই সময়ে উপজেলা সদর কুশুলিয়া ইউপি’র ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর খায়রুল আলম নিজে চায়ের দোকান খুলে রেখে লোকজন নিয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া মেম্বারকে শাস্তির আওতায় এনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে বলে নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসিয়াল ফেসবুক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার অফিসিয়াল ফেসবুকে একাটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ ওয়ার্ড মেম্বার এর কান্ড’’ পাশাপাশি দুটি বিষয় ব্যাখ্যা করব। প্রতিটি উপজেলায় একটা চেইন আছে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার এর অঙ্গ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার তাদের দিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মকান্ড পরিচালনা করেন, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন। মাঝে মাঝে দু একজন ওয়ার্ড মেম্বার বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোন করে বলেন বাজারে আমার কথা লোকজন শুনছে না । আপনি কেমন জনপ্রতিনিধি যে বাজারে লোক আপনার কথা শুনে না? ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাজার কমিটির সভাপতি? এরকম কমিটি থেকে লাভ কি? সভাপতির কথা না শুনলে! প্রতিনিয়ত অসংখ্য ওয়ার্ড মেম্বারের ফোন ধরতে ধরতে বিরক্ত। একটা ছোট দোকানদার যদি আপনার কথা না শুনে। আমার এসে তাকে জরিমানা করে বন্ধ করতে হয়। তাহলে আপনাদের এই কমিটির/ জনপ্রতিনিধির কি দরকার। একটু নেগেটিভলি বললাম । প্রকৃতপক্ষে অনেকে অনেক ভালভাবে কাজ করছেন।

অনেকে কাজ করতে না পারার কারণ তিনি নিজে নৈতিকতায় এবং আদর্শের প্রতীক নয়। জনপ্রতিনিধির হওয়া উচিত জনগণের আদর্শ। একজন ওয়ার্ড মেম্বার নিজে চায়ের দোকান খুলে লোকজন বসে আড্ডা দেয় তাহলে সে কিভাবে লোককে বিরত রাখবে বাজারে আসতে।


মন্তব্য লিখুন :