রাত পোহালেই রামগতি-কমলনগরে ভোটের লড়াই

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ছয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলবে।

সোমবার (২১ জুন) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর‌্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা এড়াতে র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোতায়েনের দাবি উঠেছে।

অন্যদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বুধবার (১৬ জুন) লক্ষ্মীপুরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তিনি বলেছেন, সুুষ্ঠু পরিবেশ না থাকলে নির্বাচন বন্ধ রাখতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে নির্দেশনা রয়েছে, কোন ক্রুতিযুক্ত নির্বাচনে আমরা যাবো না। যদি কোন  ক্রটি থাকে তাহলে নির্বাচন কর্মকর্তার নির্দেশে ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাবে। কোন দুর্বৃত্তকে নির্বাচন বানচাল ও বিতর্কিত করতে দেওয়া হবে না।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ২১ জুন ব্যালটের মাধ্যমে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ, চরফলকন, হাজিরহাট রামগতি উপজেলার চরবাদাম, চরপোড়াগাছা ও চররমিজ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এতে চেয়ারম্যান, সদস্য (মেম্বার) ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের (মহিলা) সদস্য পদে ভোট হবে। একইদিন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের উপ-নির্বাচন ইভিএমে। ইউনিয়ন ‍পরিষদ নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হবে।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোট কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রভাব বিস্তার করার জন্য বহিরাগতদের জড়ো করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডেই ৩-৮ জন পর্যন্ত মেম্বার প্রার্থী রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন শাখার নেতা। অধিপত্য নিয়ে মেম্বার প্রার্থীদের দলাদলি চলছে। কয়েকস্থানে হামলা-সংঘর্ষও হয়েছে।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মোঃ সোলায়মান বলেন, নির্বাচনে বহিরাগতদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সংঘাত-দলাদলি করতে কাউকেই আমরা ছাড়বো না। ইতোমধ্যে প্রার্থীদেরকে সতর্ক করে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন মোঃ কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের জন্য আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। বিশৃঙ্খলা হওয়া দুইটি ইউনিয়নে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের শোকজ ও সতর্ক করে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।

মন্তব্য লিখুন :