ভোলায় লকডাউনের তৃতীয় দিনেও আটক-জরিমানা অব্যাহত

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সাত দিনব্যাপী কঠোর বিধি-নিষেধের তৃতীয় দিনেও ভোলায় তৎপর ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এই সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৭৮ জনকে জরিমানা করেন।

শনিবার (৩ জুলাই) সকাল থেকেই জেলা শহর ও উপজেলা শহরগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল দিতে দেখা গেছে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, নৌবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আনসার সদস্যদের। এদিন শহরের কিছু এলাকায় মানুষের চলাচল আগের দুদিনের তুলনায় বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের আটক ও জরিমানা অব্যাহত রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও কাঁচাবাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতি ছিল অনেক বেশি। অলিগলি,পাড়া ও মহল্লায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ভিড় দেখা গেছে।

বিধি-নিষেধ মানাতে জেলা শহর ও উপজেলাগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে আগেরমতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে। পুলিশের তল্লাশি পেরিয়েই বাইরে বের হতে হচ্ছে সবাইকে। শনিবার বৃষ্টি কম থাকায় মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ার কথা বলেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সড়কে মোটর সাইকেলে দুইজন দেখলে তাদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কেউ আইন না মানলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কিছু কিছু এলাকায় শনিবার অটো বোরাক ও রিক্সার সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল কম থাকলেও জরুরি সেবার পণ্য পরিবহনের গাড়ি চলতে দেখা যায়।

জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইউসুফ হাসান জানান, কঠোর বিধিনিষেধর অমান্য করায় ১১ টি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে শনিবার ভোলায় সাত উপজেলায় ৭৫ টি মামলায় ৭৮ জনকে ৬০ হাজার ২শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য-কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দুই দিনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়ায় ১০৪ জনকে প্রথম দিন জরিমানা ও ২ জনকে কারাদণ্ড এবং দ্বিতীয় দিন ১৮৩ জনকে জরিমানা ও ৩ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :