গুইমারায় জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন

বিচারের বানী নীরবে কাঁদে, অসহায় ব্যক্তিরা নানান ভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েও বিচার না পাওয়ায় অভিযোগ করে। খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক এলাকায় জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে গুইমারা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভোক্তভুগিরা।

সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ পাঠ করে শুনান নজরুল ইসলামের ছেলে জহিরুল ইসলাম। লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখ করেন, তার মায়ের অবস্থা আশংকা জনক। হামলাকারীদের সুষ্ঠ বিচার দাবি করে এবং অবিলম্বে আজাহার ও অন্যান্যদের হুমকি ও নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। 

সাংবাদিক সম্মেলনে জহিরুল ইসলাম বলেন, গত ১২ জুন শনিবার ২০২১ আনুমানিক ২ ঘটিকায় আমার পিতা নজরুল ইসলামের ক্রয়কৃত জমির সৃজনকৃত আম বাগান থেকে আজাহার গং’রা আম পেড়ে নিয়ে যেতে এলে তাদের নিষেধ করলে তারা আমার পিতার উপর চড়াও হয়, এবং বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে আমার ও আমার পিতার চোখে মরিচের গুড়া মেরে আজাহার ও অন্যান্যরা লাঠি-সুটা এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এই আক্রমণে আমি, আমার পিতা, মাতা, বোন, আমার স্ত্রীকে সহ জরিনা বেগম কে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহতদেরকে প্রাথমিক ভাবে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত পূর্বের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহিম জানান, সাহাবুদ্দিন থেকে নজরুল ইসলাম ২ (দুই একর) একর জায়গা ক্রয় করে বাগান বাগিচা ভোগ দখলে ছিল। ২৮ অক্টোবর ২০১৬ সালে আজাহার ও অন্যান্যরা অতর্কিত ভাবে আক্রমণ করে এই সময় আমরা নির্মাণ কাজে বাধা দিলে তারা বাধা অমান্য করে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে জায়গা দখল করে এবং বসতবাড়ি নির্মাণ করে। বর্তমান এই জমি বিরোধ নিয়ে ১টি মামলা চলছে। কিন্তু আদালতের মামলা তোয়াক্কা না করেই জমি জোরপূর্বক দখল করে আজাহার গং’রা। তৎকালীন সময় আমরা বিষয়টি গুইমারা থানায় জানালেও কোনও প্রকার আইনের সহযোগিতা পাইনি। তাছাড়াও গত ২০১৮ সালে আজাহার শেখ তার দলবল ও দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা হতে নানান প্রজাতির গাছ কাটে। এতে বাধা দিলে প্রতিপক্ষগণ বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়।


মন্তব্য লিখুন :