ধামরাইয়ে খুনের আসামী ১৭ বছর পর গ্রেফতার

ঢাকার ধামরাইয়ে ১৭ বছরের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ফিরোজ আলম(৩৫)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার নামে একটি হত্যা মামলা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে আসামী ফিরোজ আমলকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

আসামী ফিরোজ আলম ধামরাই পৌরসভার কায়েতপাড়া মহল্লার হাবিবুর রহমান ওরফে হাবির ছেলে।

নিহত তৈয়বুর রহমান উপজেলার ধামরাই ইউনিয়নের শরীফবাগ এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ১৭ বছর আগে ধামরাই কায়েতপাড়া সীমা হলের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামী ফিরোজ আলম তৈয়বুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এরপর তিনি সৌদি আরব চলে যান। ফিরোজ আলম সেই সময় থেকেই সৌদি আরবে প্রায় ১৭ বছর থাকার পর গত ৬ মাস আগে দেশে ফিরেন। দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালামপুর সাব- রেজিষ্টার অফিসের পাশ থেকে আটক করে ধামরাই থানা পুলিশ।

নিহত তৈয়বুর রহমানের ভগ্নীপতি সোহেল হোসেন বলেন, আসামী ফিরোজ আলম সম্পর্কে তৈয়বুরের খালাতো ভাই। আসামী ফিরোজ আলমের বাড়িও শরীফবাগ এলাকায়। কিন্তু পরে ফিরোজ পৌরসভার কায়েতপাড়া মহল্লায় বাড়ি করে বসবাস করেন। তৈয়বুরকে হত্যার পরে ফিরোজ সৌদি আরবে চলে যায়। দির্ঘ ১৭ বছর পর সে দেশে ফিরে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ- সহকারি পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ফিরোজ আলম। সে ১৭ বছর ধরে হত্যাকান্ড ঘটানোর পর সৌদি আরবে চলে যান।

গত ৬ মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালামপুর বাজার সাব- রেজিষ্টার অফিসের পাশ থেকে আটক করা হয় আসামীকে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :