ধামইরহাটে ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

নওগাঁর ধামইরহাটে ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষক। সরকারের বেধে দেয়া প্রতি কেজি ধান ২৭ টাকা দরে ১ হাজার ৮০ টাকা মণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ভালো ফলনের সাথে বাজার দর ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানান, এবার ইরি বোরো মৌসুমে উপজেলাই ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৬শত ৫ হেক্টর। সেখানে অর্জিত হয়েছে ১৮ হাজার ৬ শত ৫ হেক্টর। কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষক পর্যায়ে সঠিক সময়ে চাড়া রোপণ, প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার কারণে এবার কৃষক ভালো ফলন পেয়েছেন। 

ধানের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জাহানপুর, ইসবপুর, উমার, আড়ানগর ইউনিয়ন, আলমপুর, আগ্রাদ্বিগুন, খেলনা ও ধামইরহাট পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঠ জুড়ে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এসব এলাকায় কৃষকরা পাকা ধান কর্তনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ধানের বাম্পার ফলন পেয়ে উমার ইউনিয়নের কৃষক মকবুল হোসেন জানান, ”কৃষি অফিসের পরামর্শে আমার দুই বিঘা জমিতে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ঈদের আগে সব ধান কাটতে পারাসহ ধানের চড়া দর পেয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি”।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, আমাদের পরামর্শে ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষক। সরকারের বেধে দেওয়া রেটে বাজারে ধানের বাজার দরও ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক।

করোনাকালীন সময়ে কৃষি অফিস থেকে দশটি কম্বাইন্ড হার্ভেষ্টার এবং সাতটি রিপার মেশিন দিয়ে ইতিমধ্যে মাঠের ১হাজার থেকে ১২শ হেক্টর জমির পাকা ধান কর্তন করা হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিক ছাড়াও উপজেলার বাহিরের বিভিন্ন জেলা থেকে ধান কাটার জন্য শ্রমিকরা আসতে শুরু করাই মাঠে শ্রমিক সংকটের কোন সম্ভাবনা নেই। 

মন্তব্য লিখুন :