দ্বিতীয় ধাপে জবিতে টিকা নিলেন ১৪০৬ জন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মেডিক্যাল সেন্টারের অস্থায়ী টিকা কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ১৪০৬ জন টিকা গ্রহণ করেছেন।

এদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী এবং তারা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা পরবর্তীতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) তিন দিন ব্যাপী এ টিকা কার্যক্রম সমাপ্ত হয়। শেষদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়।

মেডিক্যাল সেন্টার সূত্রে জানা যায়, টিকাদানের দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিন ৬০১ জন টিকা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৭৪ জন পুরুষ ও ২২৭ জন মহিলা। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হয়।

প্রথম দিন (রবিবার) টিকা নেন ৪০০ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ২৪৯ জন ছাত্র ও ১৫১ জন ছাত্রী এবং দ্বিতীয় দিন (সোমবার) টিকা নিয়েছেন ৪০৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের সিনোফার্মের টিকা দেয়া হয়েছে।

টিকার এ কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র-কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামসহ মেডিকেল সেন্টার, আইসিটি সেল ও ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র-কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, আজই শেষ দিন ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ে আর টিকা দেয়া হবে না। অত্যন্ত সফলতার সাথে টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। সবাই টিকা নিতে পেরেছে। যারা প্রথম ডোজ নিয়েছে বা যদি কারো বাকি ও থাকে তারা মিডফোর্ডে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবে। আমি ঢাকা সিভিল সার্জন, মেডিকেল সেন্টারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইটি সেলের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সবার সহযোগিতায় টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

টিকা কার্যক্রমের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিলো যে আমরা টিকা কেন্দ্র করবো সেটা আমরা সফলভাবে করলাম। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এজন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। আমাদের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক, আমাদের প্রক্টরিয়াল বডি এবং আমাদের আইসিটি সেল সবার সহযোগিতা এই কার্যক্রমটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এজন্য আমরা খুবই আনন্দিত এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও উপকৃত হয়েছে বলে আমি মনে করি। এটা আমাদের প্রত্যাশা ছিলো এবং সে প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের দিনে করোনার টিকা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। এরপর প্রথম ধাপে ২৫ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি চলে। তখন প্রথম ডোজের টিকা নেন মোট ১ হাজার ৯৬০ জন। তবে অন্যত্র প্রথম ডোজ নেয়া কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী তখন টিকার দ্বিতীয় ডোজ ও গ্রহণ করেছিলেন।

মন্তব্য লিখুন :