পরিবারের বাহিরের পাওয়া আর একটি ভালোবাসার নাম বন্ধুত্ব

মুক্ত চিন্তা, কিংবা ক্যারিয়ার গড়া, সাজানো জীবন, নয়তো অগোছালো কর্মপ্রন্থা এ সবি যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিচ্ছবি। অনার্স জীবনের এই চারটি বছর প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর কাছে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ভূমিকা রাখে। 

প্রতিনিয়ত বাস্তবতার সাথে যুদ্ধ করে ঠিকে থাকা ছাত্রছাত্রী যেমন আছে, আছে চিন্তাহীন নিকোটিনের ধোয়া উড়ানা বিশেষ ব্যক্তিরাও। তবে সব চাপিয়ে বন্ধুত্বের গল্পগুলো অনার্স শেষে মনে দাগ কাটে, সে রকম কিছু বন্ধুত্বের গল্পই হবে আজ।

নোবিপ্রবি এক স্বপ্নভূমির নাম যেখানে বন্ধুত্বের ঘন আবেশে রঙিন হয় প্রতিটি ভোর। এখানে শান্তিনিকেতন, সেলিমের টং নয়তো নীল দীঘির পাড়ে সময়ে অসময়ে বেজে ওঠে গিটারের সুর সাথে উচ্চস্বরে সম্মলিত কন্ঠে তাদের গান, চলে মধ্য রাত অবধি বন্ধুদের আড্ডা, নয়তো ছিপ দিয়ে মাছ ধরা নয়তোবা জনমানব শূন্য এ শহরে রিকশায় করে ঘুরা।

রাত শেষে আবার সেই ১০১ একরে বন্ধত্বের টানে জড়ো হওয়া, আবারো সেই আড্ডা, চলছে যেন গন্তব্যহীন কোন অজানায়, এ রকম একটি বন্ধুত্বের গল্প রয়েছে আমার আপনার আমাদের সকলের,তবে নোবিপ্রবি তে সকলের নজর কেড়ে নেওয়া বন্ধুত্বের জুটি হলো অমিতাভ প্রকাশ এবং পার্থ প্রতিম বিশ্বাস।

বন্ধুত্বের সঙ্গা দিতে গিয়ে নোবিপ্রবি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অমিতাভ বলেন, কিছু সম্পর্কের রং হয় গাড়ো, নাম হয় বন্ধুত্ব যেখানে থাকে শেয়ারিং কেয়ারিং গল্প আড্ডা, বোঝাপড়া, ত্যাগ তিতিক্ষা, এসব মিলিয়ে বন্ধু হওয়া, পরিবারে বাহিরের পাওয়া একটুকরো ভালোবাসা।

লক্ষ করলে দেখা যায় অমিতাভ এবং পার্থ প্রতিম বিশ্বাসের বন্ধুত্বের রং ছুয়ে যায় নোবিপ্রবি সকল বন্ধু মহল কে, বার্তা দেয় ভালোবাসাময় বন্ধুত্বের, পার্থ প্রতিম বলেন, আমাদের সম্পর্কের গপ্পোটা ভিন্ন ধর্মী।

আমার সব কিছুতেই আমার বন্ধু না থাকলে বোধহয় অপূর্ণ আমার কোন কিছু, আমার মনে হয় এটাই বন্ধুত্ব, এ ভাবেই চলুক সকল বন্ধুত্ব।

মন্তব্য লিখুন :