স্বাস্থ্য খাতের ৫০ কোটি টাকা লোপাট!

অনিশ্চয়তায় টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার টিকা চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। টিকার ৩ কোটি ডোজ পেতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

ভারত সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় অগ্রিম টাকা পরিশোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৭০ লাখ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এতে টিকাদান কর্মসূচি আটকে যাওয়ায় বিকল্প দেশ থেকে দ্রুত টিকা আনার চেষ্টা করছে সরকার।

এমতাবস্থায় ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী দেশের প্রায় ৫০ কোটি টাকা লোপাট হওয়ার অভিযোগ করেছে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, তার পরও টিকার নিশ্চয়তা মেলেনি।

মঙ্গলবার (১৮ মে) দেয়া এক বিবৃতিতে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ​কোটি কোটি টাকা মুনাফা করতে টিকা আমদানিতে বিকল্প উৎস রাখা হয়নি। এতে টিকা কূটনীতিতে সংশ্লিষ্টদের অদূরদর্শিতায় ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।

১৪ লাখ মানুষের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ৮-১২ সপ্তাহের মধ্যে এটি নেয়া আবশ্যক। এ ব্যাপারে অনিশ্চয়তা দুর্ভাগ্যজনক।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তারা প্রতিদিন করোনার দফায় দফায় ঢেউয়ের ভয় দেখাচ্ছেন অভিযোগ করে জিএম কাদের বলেন, জনগণকে দায়ী করে ব্যর্থতার দায় এড়াতে চায় সরকার। করোনা প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন :