ইসরাইলে নেতিনিয়াহুর ব্যর্থতা

পুনরায় সরকার গঠনে অসফল হলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতিনিয়াহু। (সূত্র: প্রথম আলো)

এর মধ্য দিয়ে দেশটির বিরোধীদের সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলে সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছে গত ২৩ মার্চ। এই নির্বাচনেও নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এরপর প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিন গত ৬ এপ্রিল নেতানিয়াহুকে সরকার গঠনের অনুমতি দেন। তাঁকে সময় বেঁধে দেওয়া হয় ৪ মে মঙ্গলবার পর্যন্ত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সরকার গঠনে ব্যর্থ হন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলের সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয় ২০১৮ সালে। এই বছরের ডিসেম্বরে নেতানিয়াহুর দল ও জোট সঙ্গীরা পরের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের এপ্রিলে নির্বাচন দেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়। এরপর ২০১৯ সালের এপ্রিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে দুই প্রধান দলই আসন পেয়েছিলেন ৩৫টি করে। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসনসংখ্যা ১২০টি। তবে সরকার গঠনের জন্য আসন প্রয়োজন ৬১টি। ফলে নেতানিয়াহু এবং বিরোধী নেতা বেনি গান্টজের দল ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টিও সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়।

এরপর আরও দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু কোনো দলই সরকার গঠন করতে পারেনি। আর গত মার্চের চতুর্থ নির্বাচনের পর সরকার গঠনে ব্যর্থ হলেন দেশটিতে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিনের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছেন, তিনি সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে প্রেসিডেন্টকে জনাদেশ ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন :