তুরস্কের সামরিক বাহিনী পেল ভয়ংকর আকিঞ্চি কিলার ড্রোন

তুরস্কের বাইরাক্তার কোম্পানির তৈরি সর্বশেষ প্রযুক্তির এই কিলার ড্রোনটি দেশটির সামরিক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

আকিঞ্চি কিলার ড্রোনের মাধ্যমে ড্রোন প্রযুক্তিতে নিঃসন্দেহে বিশ্বের প্রথম সারির দেশের মধ্যে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করলো তুরস্ক।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগান বলেন, নতুন প্রযুক্তির এই ড্রোনের মাধ্যমে তুরস্ক ড্রোন প্রযুক্তিতে বিশ্বের প্রধান তিনটি দেশের মধ্যে নিজের স্থান করে নিয়েছে। তার মতে এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র আর দুটি দেশে আছে।

আকিঞ্জ ড্রোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাইকার মাকিনার প্রধান প্রকৌশলী সেলচুক বায়রাক্তার তাদের এই ড্রোনে শতভাগ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান। কারণ, এর আগে তাদের টিবি-২ নামক ড্রোনে কানাডার তৈরি ক্যামেরা ব্যাবহার করলে, নাগরনো কারাবাখ যুদ্ধের পরে কানাডা তুরস্কে এই ক্যামেরা বিক্রি এবং ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এক্ষেত্রে আমেরিকা এবং  ইসরাইলের  পরেই তাদের অবস্থান!

তুরস্কের এই বিস্ময়কর অগ্রটির পেছনে আছে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং অব্যাহত গবেষণা ও উন্নয়ন।

সাম্প্রতিককালে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতে তাদের এ ড্রোন প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এবং কার্যকরীতা সম্পর্কে জানতে পারে সারা বিশ্ব। 

তুরস্কের বায়রাক্তার টিবি-২ এবং আনকা ড্রোন গেইম চেইঞ্জারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় সিরিয়া, লিবিয়া এবং নাগরনো-কারাবাখে। তখন একে অনেকেই ‘গেইম অব ড্রোন’ বলেও অভিহিত করে।

বায়রাক্তার টিবি-২ প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাইকার মাকিনা এবার নিয়ে আসে তার নতুন দানব ড্রোন আকিঞ্চি।

কেউ বলে উড়ন্ত দানব, কেউ বা বলে উড়ন্ত তিমি।আমি বলি উচ্চ টেকনোলজি সম্পন্ন এই আকিঞ্চি ড্রোন হলো সামরকি শক্তিতে তুরস্কের নতুন আধায়ের সূচনা।

দেখতে তিমির মত আকৃতি হওয়ায় এই ড্রোনটিকে উড়ন্ত তিমি নামে ডাকা হয়। আর এর কার্যক্ষমতার কারণে একে উড়ন্ত দানব বলা হয়। বাইরাক্তারের টিবি -২ হচ্ছে ছোট ভাই, আকিঞ্চি হচ্ছে মেঝ ভাই আর ২০২৩ সালে MIUS নামক যে মানবহীন যুদ্ধ বিমানটি আসবে সেটি হবে এই সিরিজের বড় ভাই।

মন্তব্য লিখুন :