যে কারণে টুইটার প্রধান ডাকডাকগো সার্চ ব্যবহার করেন

গুগলের সার্চ সেবা ব্যবহার করেন না টুইটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসি। এক্ষেত্রে ডরসির পছন্দ ‘ডাকডাকগো’ সার্চ সেবাটি। ডাকডাকগো সার্চ অ্যাপটিরও প্রশংসা করেছেন তিনি। ইন্টারনেটে কিছু সার্চ করতে হলে গুগল করা ছাড়া অন্য কিছু চিন্তাও করা যায় না। তাইতো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে সুনাম রয়েছে। কিন্তু টুইটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যাক ডোরসির বেলায় বিষয়টা অন্যরকম। তিনি নিরাপত্তা জনিত কারণে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করেন না।

তার প্রমাণ মেলে ডোরসির এক টুইট বার্তায়। যেখানে তিনি গুগল সার্চের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে বাহবা দিয়ে টুইট করেন। ডোরসি লেখেন। ‘আমি ডাকডাকগো (সার্চ ইঞ্জিন) ভালোবাসি। যা বেশ কিছুদিন ধরে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে আছে। সত্যিই অ্যাপটি ভালো।’

প্রসঙ্গগত, ডাকডাকগো ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে যে, তারা ইউজারদের কোনো প্রকার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না। তাই তাদের ওয়েবসাইটের হোমপেজে স্পষ্টভাবে লেখা, ‘আমাদের গোপনীয়তার নীতিমালা খুবই সাধারণ: আমরা আপনার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ অথবা কারো সঙ্গে শেয়ার করি না।’

সম্প্রতি স্টাটিস্টারের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, গতবছরে বিশ্বজুড়ে ৯০ শতাংশ সার্চ মার্কেট গুগলের দখলে ছিল।

অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী সার্চ সেবা গুগলের পুরো ব্যবসায়িক কাঠামোটিই বিজ্ঞাপন নির্ভর। সবাইকে বলে-কয়েই ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল তৈরি করে মার্কিন সার্চ জায়ান্ট এ প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের এমন ব্যবসা নীতির কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে একাধিকবার তদন্তের মুখেও পড়েছে গুগল।

প্রকাশ্যে অন্য প্রযুক্তি জায়ান্টের ব্যাপারে মন্তব্য করা জ্যাক ডরসির জন্য নতুন কিছু নয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান ফেইসবুক’কে তো সুযোগ পেলেই এক হাত নেন ডরসি। কিছুদিন আগেও টুইট করেছিলেন ফেইসবুকের নতুন লোগো প্রসঙ্গে।

তবে ডরসি যা-ই বলুন না কেন, ব্যবহারকারীর হিসেবে গুগলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে ডাকডাকগো। নভেম্বরের অ্যালেক্সা র‌্যাংকিংয়ের হিসেব অনুযায়ী, ১৮৭তম অবস্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

মন্তব্য লিখুন :