গণপরিবহন ছাড়াই যানজটে নাকাল রাজধানীবাসী

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যে খুলে দেয়া হয়েছে শপিংমল ও বিপণি-বিতান। এতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে মানুষের উপস্থিতি বেড়েই চলছে। পাশাপাশি বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানজট হচ্ছে। বিশেষ করে ইফতারের আগ মুহূর্তে যখন অফিস-আদালত ছুটি হয় তখন থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (৫ মে) রাজধানীর মহাখালী, বনানী, মিরপুর, গাবতলী, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, ধানমন্ডি, কাওরান বাজার, পান্থপথ, শুক্রাবাদ, সাইন্সল্যাব, কলাবাগান, নিউমার্কেটসহ বেশ কয়েকটি সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গাড়ির আধিক্য। সঙ্গে মোটরসাইকেলের পরিমাণও ছিল চোখে পড়ার মতো।

এসব সড়কে থাকা চেকপোস্টগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চেকের বিষয়ে বেশ নমনীয় অবস্থানে দেখা গেছে। তবে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে দুজন নিয়ে চলাচলকারী চালকদের থামিয়ে বিভিন্ন ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখা হয়।

পথচারী ও যানবাহন চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ মানুষের গন্তব্য এখন শপিংমল ও পথের পাশের দোকান। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই কেনাকাটার জন্য রাজধানীবাসী উন্মুখ হয়ে পড়ছেন। এ কারণেই মূলত সড়কে চলাচল বেড়েছে। এতে সড়কে বিভিন্ন যান বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার আধিক্য রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এসব অঞ্চলের সড়ক দুপুর থেকেই প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যানে পরিপূর্ণ। কোনো কোনো সড়কে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে থাকছে যানবাহন। এছাড়া এসব এলাকায় ফুটপাতে বসেছে পোশাকসহ নানা পণ্যের ভাসমান দোকান। এসব দোকানে ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই কেনাকাটা করছেন।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদ সামনে রেখে মানুষ ফুটপাতের ভাসমান দোকান ও শপিংমলগুলোতে কেনাকাটায় ব্যস্ত। এ কারণেই সড়কে বেশি মানুষের উপস্থিতি। সড়কে উপস্থিতি বাড়লে যানবাহনও বাড়বে। যানবাহনের সংখ্যা বাড়লে জট সৃষ্টি স্বাভাবিক।

সূত্র: জাগো নিউজ

মন্তব্য লিখুন :