তরুণদের নতুন বছর নিয়ে ভাবনা

এসেছে নতুন বছর, নতুন দশকের শুরু, খ্রিস্টীয় ২০২০ সাল। নতুন বছর নিয়ে তরুণদের সাথে তাদের আশা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন ঢাকা নিউজ ৭১ এর প্রতিনিধি মোঃ আরমান হোসেন দীপ্ত। মেডিকেল শিক্ষার্থী, অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী, সমাজকর্মী, নবীন প্রকৌশলীদের সহ অনেকের সাথে কথা বললে তারা নতুন বছরের শুভেচ্ছা এবং দেশ নিয়ে তাদের প্রত্যাশার কথা জানান।

হাসিবুল হাসান (মেডিকেল শিক্ষার্থী): নতুন বছরে মনুষ্যত্ববোধ এর সূচনা হোক সকল মানুষের মধ্যে। যাতে করে সমাজ, দেশ সুন্দর হয় এবং দূর্নীতিমুক্ত হয় আগামীদিনের পথ চলার প্রতিটা ক্ষেত্রে।

মোঃ সাজিদুর রহমান (তরুণ প্রকৌশলী): আবার বছর ঘুরে চলে এল নতুন বছর। ইংরেজি বছর হলেও আমরা বাঙালিরা সমান ভাবেই পশ্চিমা বিশ্বের মত উদযাপন করি। সবারই একটা সুপ্ত ইচ্ছা থাকে নতুন বছর নতুন কোন রেজ্যুলেশন নতুন কিছু পরিকল্পনা ইত্যাদি। বিগত বছরের সফলতা-ব্যর্থতা, হাসি-কান্নার সংমিশ্রণে পার হয়ে এসে সবারই আশা থাকে নতুন বছরে ভাল কিছু হওয়ার। তবুও জীবনের এই নিয়মে উত্থানপতন অনিবার্য।২০২০ সাল দেশ ও মানুষের জন্য যেন আশীর্বাদ স্বরূপ হয়। সর্বোপরি অন্যায়, অবিচার, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত একটা সমৃদ্ধশালী উন্নয়নশীল সমাজ ও জাতি সবারই প্রত্যাশা।

রায়হান কবির (সমাজকর্মী): নতুন কে নতুন করে গ্রহণ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হোক নতুন বছর। জরাজীর্ণ অবস্থা কাটিয়ে গা ঝাড়া দিক নতুন প্রজন্ম। দেশ ও সমাজে সৃষ্টি হোক সম্পৃতির দৃষ্টান্ত। এই শুভকামনা!

ফয়সাল ইবনে সরোয়ার (মেডিকেল শিক্ষার্থী): ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত দেশ চাই এবং সকল মানুষের নিরাপত্তা চাই। ২০২০ সালে এই কামনা।

নূর মোহাম্মদ (শিক্ষার্থী, অনার্স ৩য় বর্ষ):  নতুন বছরে টাকা জমিয়ে আরো ভালো সাইকেল কিনতে চাই। আর সেই সাইকেল দিয়ে আমি ৬৪ জেলা সাইকেল চালিয়ে ঘুরতে চাই। দেশের মানুষকে জলবায়ু নিয়ে সোচ্চার করতে চাই।

সাবেকুন্নাহার বেলী (শিক্ষার্থী, মাস্টার্স): আগে নিজেকে দক্ষ করতে চাই, তারপর দেশের উন্নতি করতে চাই। নিজে উন্নত না হলে দেশের জন্য কিছু করা যাবে না। 

নাবিল বিন আলম (মেডিকেল শিক্ষার্থী): সকল ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কিছু করতে চাই।

সুমাইয়া (শিক্ষার্থী, একাদশ শ্রেণী):  ২০২০ সালে আমার বাবা মা সবাই যেনো ভাল থাকে। দেশের মানুষ যেন ঝগড়া বিবাদ, হানাহানি থেকে বিরত হয়ে সুখে শান্তিতে বসাবস করতে পারে এই কামনা।

খাদিজা রহমান রিন্তি (শিক্ষার্থী, অনার্স ১ম বর্ষ): নিজেকে এক সৎ সেচ্ছাসেবী হিসাবে তৈরি করতে চাই। যেখান থেকে দেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষ গুলার পাশে থেকে তাদের জন্য কিছু করতে পারবো। আর স্বেচ্ছাসেবী হতে গিয়ে প্রচুর বাঁধা আছে সেটা পরিবারগত বা সামাজিকভাবে সেগুলারে পিছে রেখে আগাতে চাই।

মোঃ তাওফিকুর রহমান (মেডিকেল শিক্ষার্থী): দর্শনীয় স্থানগুলাকে আরো বেশি নজরে আনতে হবে যাতে আমরা আমাদের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে পারি। চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসক বাড়াতে হবে এবং চিকিৎসাসেবাই উন্নতি সাধন করতে হবে।

আত্মদীপ্তা মনীষা হীরা (মেডিকেল শিক্ষার্থী): দেশের কোনো মেয়ে কে যেন লাঞ্চনার শিকার হয়ে পুড়ে মরতে না হয়, এই দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।

মন্তব্য লিখুন :