‘জামায়াতের বৈদেশিক সাহায্যের পাতা ফাঁদে কওমি আলেমরা পা দেননি’

জামায়াতের বৈদেশিক সাহায্যের প্রলোভনে কওমি মাদ্রাসার আলেমরা কখনও পা দেননি বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা ইসমাইল হোসাইন।

বুধবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি করে তিনি বলেন, নবীদের সম্পর্কে ভ্রান্ত আকিদা এবং ইসলামের ত্রুটিযুক্ত ব্যাখ্যার কারণে বরাবরের মতো কওমি ওলামায়ে কেরাম মওদুদীবাদে বিশ্বাসী জামায়াতে ইসলামের বিরোধিতা করেছে।

মাওলানা ইসমাইল হোসাইন বলেন, আমাদের দেশের কওমি আলেমরা সবসময়ই জামায়াতে ইসলাম এবং মওদুদী মতবাদের ভ্রান্ত আকিদা বিশ্বাসের বিরুদ্ধাচরণ করে এসেছে। জামায়াত নেতাদের কাছে কখনই নিজেদের আত্মসম্মান বিলীন করেননি তারা। জামায়াত সরকারের চক্রান্তকারী সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা কওমি মাদ্রাসার এই বিরাট জনগোষ্ঠীকে কিছু অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের আওতাধীন করে রাখার চেষ্টা করেছিল, তবে প্রচণ্ড আত্মসম্মানবোধ এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণে কখনই কওমিপন্থি ওলামায়ে কেরাম এসব চক্রান্তের ফাঁদে পা দেয়নি।

ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আবারও জামায়াতে ইসলামি আলেমদের বগলদাবা করেই পার পেতে চাইবে তা হলফ করেই বলা যায়। স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের এই পরাজিত শক্তি বারবার আলেমদের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকারের চেষ্টা করেছে।

কওমি মাদ্রাসার কিছু তরুণ আলেমকে জামায়াত নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে দাবি করে তিনি বলেন, দেওবন্দী আলেমদের বিতর্কিত করার জন্য জামায়াতই সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে। এখন অনেক তরুণ আলেম নিজেই জানে না, সে জামায়াতের কণ্ঠে পরিণত হয়েছে।

গত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি- বক্তাদের সংগঠনের নামে সিন্ডিকেট করে এ চক্র কওমি আলেমদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। এমনকি আল্লামা আহমদ শফীর মতো বয়োবৃদ্ধ আলেমের সঙ্গে তার অন্তিম মুহুর্তে বেয়াদবি করেছিল তারা। পরে ‘হাটহাজারী স্টাইলে’ সারা দেশে বিপ্লবেরও হুমকি দিয়েছিল এ জামায়াতি এজেন্টরা। কওমি আলেমদের এসব বহুরূপীদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

মন্তব্য লিখুন :