বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

সাকিব এবং শাস্তি দুটো শব্দ যেন একই সুতোয় গাঁথা। ক্যারিয়ারে অসংখ্যবার মাঠে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে সংবাদ শিরোনামে। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের পারফরমেন্সের গ্রাফ যেমন আকাশচুম্বী, ঠিক তেমনি অসংখ্যবার নেতিবাচক ঘটনায় শিরোনাম হয়ে পরিচয় দিয়েছে চরম অপেশাদারিত্বের।

ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটে আবারও মাঠে অশোভন আচরণ করে শাস্তি পেলেন সাকিব আল হাসান। গতকাল শুক্রবার আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে আচরণবিধি ভাঙায় মোহামেডান অধিনায়ক সাকিবকে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মোহামেডানের ক্রিকেট কমিটির প্রধান মাসুদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কদিন আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জৈব সুরক্ষাবলয় ভেঙে ক্ষমা চেয়েছিলেন সাকিব। এর আগেও ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাধিকার শৃঙ্খলাভঙ্গ করে দীর্ঘদিন থাকতে হয়েছে ক্রিকেট থেকে নির্বাসনে, আগের সেই ভুল থেকে আদৌ কি কিছু শিখতে পেরেছে সাকিব? 

শুক্রবার আবাহনীর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মুশফিকুর রহিমের বিরুদ্ধে সাকিবের করা একটি লেগ বিফোর উইকেটের আবেদন গ্রহণ করেননি আম্পায়ার। এতেই চটে যান সাকিব। এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে তিনি লাথি মেরে স্ট্যাম্প ভেঙে ফেলেন! পরের ওভার শেষে ফের স্ট্যাম্প তুলে আছাড়ও মারেন! মাঠ ছাড়ার সময় তর্কে জড়ান আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের সঙ্গে। এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি সুজনের কাছে ক্ষমা চান। সুজন তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর সোশ্যাল সাইটে পোস্ট দিয়ে ভক্তদের কাছেও ক্ষমা চান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সাকিব লেখেন, 'প্রিয় ভক্তবৃন্দ, এভাবে মেজাজ হারিয়ে একটা ম্যাচ নষ্ট করার জন্য এবং যারা ঘরে বসে খেলা দেখছিলেন তাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের এমন আচরণ করা কখনোই উচিত নয়। আমি আমার দল, ম্যানেজম্যান্ট, টুর্নামেন্ট অফিসিয়ালস এবং সাংগঠনিক কমিটির কাছে এই মানবিক ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি। আশা করছি, ভবিষ্যতে কখনোই আর এমন কাজ করব না। সবাইকে ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা।

মন্তব্য লিখুন :